}

Thursday, July 16, 2026

part

কর্তৃকারক কাকে বলে?

বাংলা ব্যাকরণে কর্তৃকারক হলো কারকের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কোনো বাক্যে ক্রিয়ার কাজটি কে বা কারা সম্পাদন করছে, তা কর্তৃকারকের মাধ্যমে বোঝা যায়। কারক নির্ণয়ের সময় তাই সর্বপ্রথম ক্রিয়াপদ চিহ্নিত করে “কে?” অথবা “কারা?” প্রশ্ন করা হয়।

সংজ্ঞা

যে নামপদ ক্রিয়ার কাজ সম্পাদন করে, তাকে কর্তৃকারক বলে।

💡 সহজে মনে রাখুন

ক্রিয়াপদকে “কে?” বা “কারা?” দিয়ে প্রশ্ন করলে যে নামপদ উত্তর হিসেবে পাওয়া যায়, সেটিই সাধারণত কর্তৃকারক

উদাহরণ–১

রাম বই পড়ে।

ক্রিয়াপদ : পড়ে

প্রশ্ন : কে পড়ে?

উত্তর : রাম

অতএব, ‘রাম’ কর্তৃকারক।

উদাহরণ–২

ছাত্ররা মাঠে খেলছে।

ক্রিয়াপদ : খেলছে

প্রশ্ন : কারা খেলছে?

উত্তর : ছাত্ররা

অতএব, ‘ছাত্ররা’ কর্তৃকারক।

📝 মনে রাখুন

  • কর্তৃকারক সর্বদা ক্রিয়ার কাজ সম্পাদনকারী নামপদকে নির্দেশ করে।
  • কর্তৃকারক নির্ণয়ের জন্য প্রথমে ক্রিয়াপদ চিহ্নিত করতে হবে।
  • এরপর “কে?” বা “কারা?” প্রশ্ন করতে হবে।
  • যে নামপদ উত্তর হিসেবে পাওয়া যাবে, সেটিই কর্তৃকারক

অধ্যায়–১ : কর্তৃকারকের প্রকারভেদ (১০ প্রকার)

বাংলা ব্যাকরণে কর্তৃকারক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। কোনো বাক্যে যে ব্যক্তি, বস্তু বা বিষয় ক্রিয়ার কাজ সম্পন্ন করে, তাকে কর্তৃকারক বলা হয়। কর্তৃকারকের বিভিন্ন ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে সাধারণত ১০টি প্রকারভেদ আলোচনা করা হয়।

📌 কর্তৃকারকের ১০টি প্রকার

নিচে কর্তৃকারকের ১০টি প্রকার ও তাদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেওয়া হলো—

ক্রমিক কর্তৃকারকের প্রকার সংক্ষিপ্ত পরিচয়
উক্ত কর্তা যে কর্তা বাক্যে প্রকাশিত থাকে।
অনুক্ত (উহ্য) কর্তা যে কর্তা বাক্যে প্রকাশিত নয়, কিন্তু বোঝা যায়।
সমধাতুজ কর্তা কর্তা ও ক্রিয়া একই ধাতু থেকে গঠিত হয়।
যৌগিক কর্তা একাধিক ব্যক্তি বা বস্তু মিলে কর্তার কাজ করে।
প্রযোজক কর্তা যে অন্যকে দিয়ে কোনো কাজ করায়।
প্রযোজ্য কর্তা যাকে দিয়ে কাজ করানো হয়।
নিরপেক্ষ কর্তা যে কর্তা অন্য কোনো কারকের ওপর নির্ভরশীল নয়।
ব্যতিরেকী কর্তা অন্যদের বাদ দিয়ে যে কর্তা নিজে কাজ করে।
অভিন্ন কর্তা কর্তা ও কর্ম একই ব্যক্তি বা বস্তু হয়।
১০ ব্যতিহার কর্তা দুই বা ততোধিক কর্তা পরস্পরের সঙ্গে কাজ করে।

বিস্তারিত

১. উক্ত কর্তা

সংজ্ঞা :
যে কর্তা বাক্যে প্রকাশিত থাকে এবং নিজেই ক্রিয়ার কাজ সম্পাদন করে, তাকে উক্ত কর্তা বলে।

সহজ ভাষায়

যে ব্যক্তি বা বস্তু কাজ করছে তার নাম যদি বাক্যের মধ্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে, তাহলে সেই কর্তা উক্ত কর্তা।

উদাহরণ–১

রাহুল মাঠে খেলছে।

ক্রিয়াপদ : খেলছে

প্রশ্ন : কে খেলছে?

উত্তর : রাহুল

অতএব, রাহুল = উক্ত কর্তা।

উদাহরণ–২

মা রান্না করছেন।

ক্রিয়াপদ : রান্না করছেন

প্রশ্ন : কে রান্না করছেন?

উত্তর : মা

অতএব, মা = উক্ত কর্তা।

🧠 মনে রাখুন :

যে কর্তা বাক্যে উল্লেখিত বা প্রকাশিত থাকে = উক্ত কর্তা
🎯 পরীক্ষায় টিপস :
  • বাক্যে কর্তা খুঁজতে প্রথমে ক্রিয়াপদ চিহ্নিত করুন।
  • "কে?" বা "কারা?" প্রশ্ন করুন।
  • উত্তরটি বাক্যে থাকলে সেটি উক্ত কর্তা।

২. অনুক্ত (উহ্য) কর্তা

সংজ্ঞা :
যে কর্তা বাক্যে প্রকাশিত থাকে না, কিন্তু ক্রিয়ার মাধ্যমে বোঝা যায়, তাকে অনুক্ত বা উহ্য কর্তা বলে।

সহজ ভাষায়

বাক্যে কর্তার নাম লেখা নেই, কিন্তু কে কাজ করছে তা বোঝা যায়—তাকে অনুক্ত কর্তা বলে।

উদাহরণ–১

খাচ্ছি।

ক্রিয়াপদ : খাচ্ছি

প্রশ্ন : কে খাচ্ছি?

উত্তর : আমি

কর্তা "আমি" লেখা নেই, কিন্তু বোঝা যাচ্ছে।
অতএব, এটি অনুক্ত কর্তা।

উদাহরণ–২

আজ স্কুলে যাব।

কর্তা লেখা নেই। কিন্তু বোঝা যাচ্ছে—আমি যাব।

🧠 মনে রাখুন :

কর্তা নেই, কিন্তু বোঝা যায় = অনুক্ত কর্তা
🎯 পরীক্ষায় টিপস :
  • ক্রিয়ার পুরুষ দেখে অনুক্ত কর্তা চেনা যায়।
  • করছি → আমি
  • করছ → তুমি
  • করছে → সে

৩. সমধাতুজ কর্তা

সংজ্ঞা :
যে বাক্যে কর্তা ও ক্রিয়া একই ধাতু থেকে গঠিত হয়, তাকে সমধাতুজ কর্তা বলে।

সহজ ভাষায়

কর্তা এবং ক্রিয়ার মধ্যে একই ধাতুর সম্পর্ক থাকলে তাকে সমধাতুজ কর্তা বলা হয়।

উদাহরণ–১

গায়ক গাইছে

"গায়ক" এবং "গাইছে" একই ধাতু থেকে তৈরি।

অতএব, গায়ক = সমধাতুজ কর্তা।

উদাহরণ–২

লেখক লিখছেন।

"লেখক " ও "লিখছেন" একই ধাতুর সম্পর্কযুক্ত।

🧠 মনে রাখুন :

কর্তা + ক্রিয়ার ধাতু একই হলে = সমধাতুজ কর্তা
🎯 পরীক্ষায় টিপস :

কর্তা ও ক্রিয়ার শব্দের মধ্যে ধাতুগত মিল খুঁজতে হবে।

৪. যৌগিক কর্তা

সংজ্ঞা :
যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি বা বস্তু মিলিতভাবে একটি ক্রিয়ার কাজ সম্পাদন করে, তখন তাকে যৌগিক কর্তা বলে।

সহজ ভাষায়

একাধিক কর্তা একসঙ্গে একটি কাজ করলে তাকে যৌগিক কর্তা বলা হয়।

উদাহরণ–১

রাহুল ও সুমন মাঠে খেলছে।

দুইজন কর্তা "রাহুল" ও "সুমন" মিলে কাজ করছে।

অতএব, এটি যৌগিক কর্তা।

উদাহরণ–২

মা ও বাবা আমাকে ভালোবাসেন।

মা এবং বাবা—দুজন মিলে কর্তার কাজ করছেন।

🧠 মনে রাখুন :

একাধিক কর্তা + একসঙ্গে কাজ = যৌগিক কর্তা
🎯 পরীক্ষায় টিপস :
  • "ও", "এবং", "আর" দ্বারা যুক্ত একাধিক কর্তা থাকলে খেয়াল করুন।
  • দুই বা ততোধিক কর্তা মিলে কাজ করলে যৌগিক কর্তা হবে।


৫. প্রযোজক কর্তা

সংজ্ঞা :
যে কর্তা নিজে কাজ না করে অন্য কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করায়, তাকে প্রযোজক কর্তা বলে।

সহজ ভাষায়

যে ব্যক্তি অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয়, সে হলো প্রযোজক কর্তা।

অর্থাৎ— "যে করায় = প্রযোজক"

উদাহরণ–১

মা ছেলেকে দিয়ে বাজার করালেন।

কাজ : বাজার করা

কে করালেন? → মা

এখানে মা নিজে বাজার করেননি, ছেলেকে দিয়ে করিয়েছেন।
অতএব, মা = প্রযোজক কর্তা।

উদাহরণ–২

শিক্ষক ছাত্রদের দিয়ে কবিতা লেখালেন।

শিক্ষক নিজে কবিতা লেখেননি, ছাত্রদের দিয়ে লিখিয়েছেন।

অতএব, শিক্ষক = প্রযোজক কর্তা।

🧠 মনে রাখুন :

যে কাজ করায় = প্রযোজক কর্তা
🎯 পরীক্ষায় টিপস :
  • বাক্যে "করালেন", "লিখালেন", "খাওয়ালেন", "পড়ালেন" ইত্যাদি থাকলে প্রযোজক কর্তা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
  • যে ব্যক্তি কাজের নির্দেশ দেয় বা করিয়ে নেয়, তাকে খুঁজুন।

৬. প্রযোজ্য কর্তা

সংজ্ঞা :
যে কর্তার দ্বারা কোনো কাজ করানো হয়, তাকে প্রযোজ্য কর্তা বলে।

সহজ ভাষায়

যাকে দিয়ে কাজ করানো হয়, সে হলো প্রযোজ্য কর্তা।

অর্থাৎ— "যার দ্বারা কাজ হয় = প্রযোজ্য"

উদাহরণ–১

মা ছেলেকে দিয়ে বাজার করালেন।

এখানে—

কে কাজ করল? → ছেলে

মা কাজটি ছেলেকে দিয়ে করিয়েছেন।
অতএব, ছেলে = প্রযোজ্য কর্তা।

উদাহরণ–২

শিক্ষক ছাত্রদের দিয়ে উত্তর লেখালেন।

এখানে ছাত্ররা লেখার কাজ করেছে।

অতএব, ছাত্ররা = প্রযোজ্য কর্তা।

🧠 মনে রাখুন :

যাকে দিয়ে কাজ করানো হয় = প্রযোজ্য কর্তা
🎯 পরীক্ষায় টিপস :

প্রযোজক ও প্রযোজ্য কর্তার পার্থক্য মনে রাখুন—

  • কাজ করায় → প্রযোজক
  • কাজ করে → প্রযোজ্য

৭. নিরপেক্ষ কর্তা

সংজ্ঞা :
যে কর্তা অন্য কোনো কারকের সাহায্য বা নির্ভরতা ছাড়াই স্বাধীনভাবে কাজ সম্পাদন করে, তাকে নিরপেক্ষ কর্তা বলে।

সহজ ভাষায়

যে কর্তা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করে এবং অন্য কারো ওপর নির্ভর করে না, তাকে নিরপেক্ষ কর্তা বলা হয়।

উদাহরণ–১

সূর্য ওঠে।

এখানে সূর্য নিজস্ব নিয়মে উদিত হয়। অন্য কারো সাহায্যের প্রয়োজন নেই।

অতএব, সূর্য = নিরপেক্ষ কর্তা।

উদাহরণ–২

বৃষ্টি পড়ে।

বৃষ্টির কাজ কোনো অন্য কর্তার ওপর নির্ভরশীল নয়।

অতএব, বৃষ্টি = নিরপেক্ষ কর্তা।

উদাহরণ–৩

পাতা ঝরে।

পাতা নিজের স্বাভাবিক নিয়মে ঝরে পড়ে।

🧠 মনে রাখুন :

স্বাধীনভাবে কাজ করে = নিরপেক্ষ কর্তা
🎯 পরীক্ষায় টিপস :
  • যে কাজের জন্য অন্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সাহায্য লাগে না, সেটি নিরপেক্ষ কর্তা হতে পারে।
  • প্রাকৃতিক ঘটনা বোঝানো বাক্যে অনেক সময় নিরপেক্ষ কর্তা দেখা যায়।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য

প্রকার চেনার উপায়
প্রযোজক কর্তা যে কাজ করায়
প্রযোজ্য কর্তা যাকে দিয়ে কাজ করানো হয়
নিরপেক্ষ কর্তা যে স্বাধীনভাবে কাজ করে

৮. ব্যতিরেকী কর্তা

সংজ্ঞা :
যে কর্তা অন্যদের বাদ দিয়ে বা পৃথকভাবে নিজে কোনো কাজ সম্পাদন করে, তাকে ব্যতিরেকী কর্তা বলে।

সহজ ভাষায়

যখন কোনো ব্যক্তি বা বস্তু অন্যদের থেকে আলাদা হয়ে নিজের কাজকে প্রকাশ করে, তখন তাকে ব্যতিরেকী কর্তা বলে।

অর্থাৎ — "বাদ দিয়ে বা আলাদা করে যে কর্তা কাজ করে = ব্যতিরেকী কর্তা"

উদাহরণ–১

রাম ছাড়া সবাই খেলতে গেল।

এখানে "রাম ছাড়া" কথার মাধ্যমে রামকে অন্যদের থেকে আলাদা করা হয়েছে।

অতএব, রাম = ব্যতিরেকী কর্তা।

উদাহরণ–২

তুমি ছাড়া আর কেউ আমাকে সাহায্য করেনি।

এখানে "তুমি" অন্য সকলের থেকে পৃথকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অতএব, তুমি = ব্যতিরেকী কর্তা।

🧠 মনে রাখুন :

অন্যদের বাদ দিয়ে আলাদা করে যে কর্তা বোঝায় = ব্যতিরেকী কর্তা
🎯 পরীক্ষায় টিপস :
  • "ছাড়া", "ব্যতীত", "বিনা" ইত্যাদি শব্দ থাকলে ব্যতিরেকী কর্তা খেয়াল করুন।
  • যাকে আলাদা করে বোঝানো হচ্ছে, সেটিই ব্যতিরেকী কর্তা হতে পারে।

৯. অভিন্ন কর্তা

সংজ্ঞা :
যখন কর্তা ও কর্ম একই ব্যক্তি বা বস্তু হয়, তখন তাকে অভিন্ন কর্তা বলে।

সহজ ভাষায়

যে বাক্যে কাজের কর্তা এবং কাজের ফল একই ব্যক্তির ওপর পড়ে, তাকে অভিন্ন কর্তা বলে।

অর্থাৎ — "কর্তা ও কর্ম এক = অভিন্ন কর্তা"

উদাহরণ–১

আমি নিজেকে সাজালাম।

এখানে—

কাজ করছে → আমি
কাজের প্রভাব পড়ছে → নিজেকে (আমি)

অতএব, এটি অভিন্ন কর্তা।

উদাহরণ–২

সে নিজেকে আঘাত করল।

এখানে আঘাতকারী এবং আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তি একই।

অতএব, সে = অভিন্ন কর্তা।

🧠 মনে রাখুন :

কর্তা = কর্ম হলে → অভিন্ন কর্তা
🎯 পরীক্ষায় টিপস :
  • "নিজে", "নিজেকে", "আপনাকে" ইত্যাদি শব্দ থাকলে অভিন্ন কর্তা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • কর্তা ও কর্ম একই ব্যক্তি কিনা তা যাচাই করতে হবে।

১০. ব্যতিহার কর্তা

সংজ্ঞা :
যে কর্তা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে পারস্পরিকভাবে একই কাজ সংঘটিত হওয়াকে বোঝায়, তাকে ব্যতিহার কর্তা বলে।

সহজ ভাষায়

যখন দুই বা একাধিক কর্তা একে অপরের সঙ্গে একই কাজ করে বা পারস্পরিক ক্রিয়ায় অংশ নেয়, তখন তাকে ব্যতিহার কর্তা বলে।

অর্থাৎ — "পরস্পরের মধ্যে কাজের আদান-প্রদান = ব্যতিহার কর্তা"

উদাহরণ–১

রাহুল ও সুমন কুস্তি করল।

এখানে রাহুল ও সুমন দুজনেই পরস্পরের সঙ্গে একই কাজ করছে।

অতএব, রাহুল ও সুমন = ব্যতিহার কর্তা।

উদাহরণ–২

দুই ভাই ঝগড়া করল।

এখানে দুই ভাই একে অপরের সঙ্গে ঝগড়ার কাজে অংশ নিয়েছে।

অতএব, দুই ভাই = ব্যতিহার কর্তা।

উদাহরণ–৩

দুই বন্ধু আলিঙ্গন করল।

এখানে দুই বন্ধু পরস্পরের সঙ্গে একই কাজ করেছে।

🧠 মনে রাখুন :

যেখানে দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক কাজ হয় = ব্যতিহার কর্তা
🎯 পরীক্ষায় টিপস :
  • "পরস্পর", "একে অপরকে", "ভাইয়ে ভাইয়ে", "বন্ধুতে বন্ধুতে" ইত্যাদি শব্দ থাকলে ব্যতিহার কর্তা খেয়াল করুন।
  • শুধু একসঙ্গে কাজ করলেই হবে না, কাজের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক থাকতে হবে।

📌  সংক্ষেপে

প্রকার চেনার উপায়
ব্যতিরেকী কর্তা অন্যদের বাদ দিয়ে আলাদা করা হয়
অভিন্ন কর্তা কর্তা ও কর্ম একই হয়
ব্যতিহার কর্তা পরস্পরের মধ্যে কাজ হয়

No comments:

Post a Comment

body { -webkit-user-select: none; /* Chrome, Safari, Edge */ -moz-user-select: none; /* Firefox */ -ms-user-select: none; /* Internet Explorer */ user-select: none; /* Standard */ }